Ramjan

রমজান ক্যালেন্ডার 2026 কাতার -সেহরি ও ইফতারের ক্যালেন্ডার

কাতার বিশ্বের মধ্যে একটি মুসলিম দেশ এবং মুসলিম আইন কানুন দ্বারা পরিচালিত একটি দেশ। এদেশে রোজা রাখা বাধ্যতামূলক। কাতারের মুসলমানগণ প্রত্যেক বছর আল্লাহর হুকুম পালনের উদ্দেশ্যে রোজা রাখেন। আগামী পয়লা মার্চ ২০২৫ এবং হিজরে ১৪৪৬ থেকে প্রথম রোজা শুরু হবে। ৩০ টি রোজার বাংলা এবং আরবি ক্যালেন্ডার এখানে সংযুক্ত করা হলো। প্রত্যেকটি রোজার সেহরি ইফতারের সময়সূচি এখান থেকে জানা যাবে।

 কাতার  রমজানের সময়সূচী 2026 সেহরি ইফতারের সময়সূচি

বর্তমানে বাংলাদেশের সহ অনেক বিশ্বের মুসলমান বাংলা ভাষার রমজানের ক্যালেন্ডার অনুসন্ধান করেন। তাই আজ আমরা ৩০ টি রোজার বাংলা ভাষায় রমজানের ক্যালেন্ডার এখানে সংযুক্ত করেছি এবং ত্রিশটি রোজার ইফতারের সময়সূচি এখান থেকে জানা যাবে।

রমজান ক্যালেন্ডার 2026 কাতার প্রধান শহরগুলিতে সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী

শহর সেহর ইফতার
দোহা সকাল ০৪:৪৯ ০৫:২৮ অপরাহ্ন
উম্মে বাব ০৪:৫২ পূর্বাহ্ণ ০৫:৩১ বিকাল
আল খাওর সকাল ০৪:৪৯ ০৫:২৮ অপরাহ্ন
আর রায়য়ান সকাল ০৪:৪৯ ০৫:২৮ অপরাহ্ন
আশ শাহানিয়াহ সকাল ০৪:৫০ ০৫:২৯ অপরাহ্ন
দুখান ০৪:৫২ পূর্বাহ্ণ ০৫:৩১ বিকাল
উম্মে সালাল মুহাম্মদ সকাল ০৪:৫০ ০৫:২৮ অপরাহ্ন
আল ওয়াকরাহ সকাল ০৪:৪৯ ০৫:২৮ অপরাহ্ন
আল উকাইর সকাল ০৪:৪৯ ০৫:২৮ অপরাহ্ন

কাতার  রমজানের সময়সূচী 2026 আল মুনতাজাহ

দিন সেহরি ইফতার তারিখ
০৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৩১ ১৮ ফেব, ২০২৬
০৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৩১ ১৯ ফেব, ২০২৬
০৪:৪৫ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৩২ ২০ ফেব, ২০২৬
০৪:৪৪ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৩২ ২১ ফেব, ২০২৬
০৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৩৩ ২২ ফেব, ২০২৬
০৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৩৩ ২৩ ফেব, ২০২৬
০৪:৪২ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৩৪ ২৪ ফেব, ২০২৬
০৪:৪১ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৩৫ ২৫ ফেব, ২০২৬
০৪:৪০ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৩৫ ২৬ ফেব, ২০২৬
১০ ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৩৬ ২৭ ফেব, ২০২৬
১১ ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৩৬ ২৮ ফেব, ২০২৬
১২ ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ণ ৫:৩৭ অপরাহ্ণ ১ মার্চ ২০২৬
১৩ ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ণ ৫:৩৭ অপরাহ্ণ ০২ মার্চ ২০২৬
১৪ ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৩৮ ৩ মার্চ ২০২৬
১৫ ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৩৮ ৪ মার্চ ২০২৬
১৬ ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ণ ৫:৩৯ অপরাহ্ণ ৫ মার্চ ২০২৬
১৭ ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ণ ৫:৩৯ অপরাহ্ণ ৬ মার্চ ২০২৬
১৮ ০৪:৩২ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৪০ ৭ মার্চ ২০২৬
১৯ ০৪:৩১ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৪০ ৮ মার্চ ২০২৬
২০ ০৪:৩০ পূর্বাহ্ণ ৫:৪১ অপরাহ্ণ ৯ মার্চ, ২০২৬
২১ ০৪:২৯ পূর্বাহ্ণ ৫:৪১ অপরাহ্ণ ১০ মার্চ ২০২৬
২২ ০৪:২৮ পূর্বাহ্ণ ৫:৪২ অপরাহ্ণ ১১ মার্চ ২০২৬
২৩ ০৪:২৭ পূর্বাহ্ণ ৫:৪২ অপরাহ্ণ ১২ মার্চ, ২০২৬
২৪ ০৪:২৬ পূর্বাহ্ণ ৫:৪৩ অপরাহ্ণ ১৩ মার্চ, ২০২৬
২৫ ০৪:২৫ পূর্বাহ্ণ ৫:৪৩ অপরাহ্ণ ১৪ মার্চ, ২০২৬
২৬ ০৪:২৪ পূর্বাহ্ণ ৫:৪৪ অপরাহ্ণ ১৫ মার্চ, ২০২৬
২৭ ০৪:২৩ পূর্বাহ্ণ ৫:৪৪ অপরাহ্ণ ১৬ মার্চ ২০২৬
২৮ ০৪:২২ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৪৫ ১৭ মার্চ, ২০২৬
২৯ ০৪:২১ পূর্বাহ্ণ বিকেল ৫:৪৫ ১৮ মার্চ, ২০২৬
৩০ ০৪:২০ পূর্বাহ্ণ ৫:৪৬ অপরাহ্ণ ১৯ মার্চ, ২০২৬

রোজা রাখার নিয়ত

 

 

 

 

 

 

রোজার নিয়ত:

বাংলায় উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন আছুমা গদাম মিন শাহরি রমাদ্বানাল মুবারকি ফারদ্বল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাক্বব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আংতাস সামীউল আলীম।
অর্থ: আয় আল্লাহ পাক! আপনার সন্তুষ্টির জন্য আগামীকালের রমাদ্বান শরীফএর ফরয রোযা রাখার নিয়ত করছি। আমার তরফ থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা , সর্বজ্ঞাত।
মাসআলা: কেউ যদি ছুবহি ছাদিক্বের পূর্বে নিয়ত করতে ভুলে যায় তাহলে তাকে দ্বিপ্রহরের পূর্বে নিয়ত করতে হবে। তখন এভাবে নিয়ত করবে:
বাংলায় উচ্চারণ:

 

 

নাওয়াইতু আন আছুমাল ইয়াওমা মিন শাহরি রমাদ্বানাল মুবারকি ফারদ্বাল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফা তাক্বাব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আংতাস সামীউল আলীম।
  আরবি নিয়ত نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم

 ইফতার করার আগে দোয়া

ইফতারের দোয়া: বাংলায় উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সুমতু লাকা, ওয়া তাওআক্কালতু লা রিঝক্বিকা, ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রহিমীন।

 

অর্থ: আয় আল্লাহ পাক! আমি আপনারই সন্তুষ্টির জন্য রোযা রেখেছি এবং আপনারই দেয়া রিযিক্ব দ্বারা ইফতার করছি।
আরবি নিয়ত بسم الله اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ
ইফতারের পরের দোয়া আরবি নিয়ত ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ
বাংলা উচ্চারণ : : জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতাল্লাতিল উ’রুকু; ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহ।
অর্থ :  ‘(ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াবও স্থির হলো।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৫৭)
ইফতারের ফজিলত

 

সারা দিন রোজা রাখার পর রোজাদারের জন্য ইফতারের মুহূর্তটা পরম আনন্দের। আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে নবী কারিম (সা.) বলেছেন, ‘রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ। একটি আনন্দ হচ্ছে যখন সে ইফতার করে। আরেকটি হচ্ছে যখন সে প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৭৬৬)

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button