অনলাইন

চাঁদ নিয়ে উক্তি, স্ট্যাটাস, ক্যাপশন, ছোট কবিতা ও কিছু কথা

চাঁদ হচ্ছে আল্লাহর সৃষ্টি এবং প্রকৃতির অন্যতম সৌন্দর্য। চাঁদ প্রকৃতির আকাশে উদায়ান হয় এবং সকলের জল্পনা-কল্পনার বিষয়বস্তুর চাঁদকে নিয়ে। মুসলিম ধর্মে চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে অনেক উৎসব শুরু হয় এবং হিন্দু ধর্মে চাঁদের অনেক পূজা করে থাকেন। চাঁদকে নিয়ে অসংখ্য কবি-সাহিত্যিক তাদের মহামূল্যবান কবিতা, স্ট্যাটাস, ফেসবুকে স্ট্যাটাস, উক্তি, ক্যাপশন ও মূল্যবান কিছু কথা লিখেছেন। তাছাড়াও অনেকে অনুসন্ধান করে থাকেন চাঁদ প্রকৃতির দান এবং এই অপরূপ সুন্দর অধিকারী চাঁদ এর উক্তি, স্ট্যাটাস, ক্যাপশন ও কবিতা নিয়ে।

তাই আজ আপনাদের সামনে খোদার সৃষ্টি এবং প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের দান চাঁদকে নিয়ে কবিতা উক্তি স্ট্যাটাস ক্যাপশন ও মহামূল্য কিছু কথা শেয়ার করব যাতে আপনি চাঁদের গুরুত্ব সম্পর্কে বুঝতে পারেন এবং এই মূল্যবান উক্তি স্ট্যাটাস ক্যাপশন গুলি সোশ্যাল মিডিয়া যেমন: ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপস ও টেলিগ্রাম সহ বিভিন্ন জায়গায় শেয়ার করে সবাইকে বোঝার সুযোগ করে দিতে পারেন এবং চাঁদ সম্পর্কে অনুষ্ঠান হলে এসকল মহা মূল্যবান উক্তি ও ক্যাপশন গুলি সকলকে শেয়ার করতে পারেন।

চাঁদ নিয়ে মূল্যবান উক্তি

আজ আমরা এখানে চাঁদ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং মূল্যবান উক্তি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। চাঁদ অপরূপ সৌন্দর্যের প্রকৃতির দান। এজন্য চাঁদকে নিয়ে অনেক কবি সাহিত্যিক বিভিন্ন ধরনের কবিতা এবং মুক্তি প্রদান করেছেন। সুতরাং যারা চাঁদকে নিয়ে চিন্তা করেন এবং চাঁদের গুরুত্ব উপলব্ধি করার জন্য বিভিন্ন উক্তি ক্যাপশন স্ট্যাটাস মহামূল্যবান কিছু কথা লিখেছেন তাদের সেই কথাগুলো আজ আমরা সংগ্রহ করেছে এবং আমাদের ওয়েবসাইটে যুক্ত করেছি যাতে আপনি সহজে এখান থেকে শিখতে পারেন এবং সংগ্রহ করতে পারেন।

রাত কাটে, ভোর হয়, পাখি জাগে বনে — চাঁদের তরণী ঠেকে ধরণীর কোণে ।- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

তারাদের পথে চাঁদ হলো প্রথম মাইলফলক ।-আর্থার সি ক্লার্ক

*প্রত্যেকেই এক একটি চাঁদ এবং সবার একটি অন্ধকার দিক আছে যা কেউ কখনও অন্যকে দেখায় না ।

— মার্ক টোয়েন

*চাঁদ এত সুন্দর ছিল যে সমুদ্র একটি আয়না ধরেছিল ।

— আনি ডিফ্র্যাঙ্কো

 *যারা চাঁদ দেখতে ভালোবাসে, তারা সুন্দর মনের অধিকারী ।

— সংগৃহীত

*আমার মনে হচ্ছে চাঁদ খুব সুন্দরী রমণী । এবং সে নিয়ন্ত্রণে আছে ।

— রেভেন লেনা

*আমরা সবাই উজ্জ্বল চাঁদের মতো ; যদিও আমাদের অনেক খারাফ দিকও রয়েছে ।

— খলিল জিবরান

 *চাঁদ একাকী কথা বলার জন্য বন্ধু।

— কার্ল স্যান্ডবার্গ

 *আমাকে বলবেন না চাঁদ আলো দিচ্ছে । আমাকে শুধু ভাঙা কাঁচে আলোর ঝলক দেখান ।

— আন্তন চেখভ

 *আমি সর্বদা চাঁদের দিকে চেয়ে থাকি এবং মহাবিশ্বের মধ্যে এটিকে সবচেয়ে রোমান্টিক জায়গা হিসাবে দেখি ।

— টম হ্যান্কস

 *নরম এবং শক্ত দুটোই হতে হবে। ঠিক চাঁদ বা ঝড় বা সমুদ্র এর মতো ।

— ভিক্টোরিয়া এরিকসন

*স্বাধীনতা, বই, ফুল এবং চাঁদের সাথে কে খুশি হতে পারে না ?

— অস্কার ওয়াইল্ড

 *চাঁদ তার আলো দিয়ে আপনাকে সারারাত পথ দেখাবে , কিন্তু সে সর্বদা অন্ধকারে থাকতে পছন্দ করে ।

— শ্যানন অ্যাল্ডার

 *আমি ভাবতে ভালোবাসি যে প্রাণী, মানুষ, উদ্ভিদ, মাছ, গাছ, তারা এবং চাঁদ সবকিছু একসাথে রয়েছে ।

— গ্লোরিয়া ভ্যান্ডারবিল্ট

 *সর্বদা মনে রাখবেন আমরা একই আকাশের নীচে আছি, একই চাঁদ দেখছি ।

— ম্যাক্সাইন লি

 *তাকে এবং চাঁদকে সর্বদা অন্ধকারে খেলতে পাওয়া যেতে পারে।

— এ.জে.লওলেস।

চাঁদ নিয়ে হুমায়ুন আহমেদের উক্তি

চাঁদ একটি শান্তির প্রতীক এবং বিধাতার সৃষ্টি। চাঁদ পৃথিবীকে ক্ষণিকের আলো প্রদান করে এবং দেখতে খুব সুন্দর লাগে। বিশাল আকাশের চাঁদের বিচরণ জনক দেখার মতন। এজন্য জীবনানন্দ দাশ চাঁদ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উক্তি প্রদান করেছেন যা আমাদের জানা দরকার এবং নিম্নে তুলে ধরা হলো: প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য চাঁদের সন্তোষ গুণাবলী নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের সেরা কবিদের মধ্যে একজন এবং তিনি তার নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান উক্তি প্রদান করেছেন জানিয়েছে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হল:

ঘর খুলিয়া বাহির হইয়া জোছনা ধরতে যাই; হাত ভর্তি চান্দের আলো ধরতে গেলে নাই।-হুমায়ূন আহমেদ

চাঁদের বিশালতা মানুষের মাঝেও আছে, চাঁদ এক জীবনে বারবার ফিরে আসে । ঠিক তেমন মানুষ প্রিয় বা অপ্রিয় যেই হোক, একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসে ।- হুমায়ূন আহমেদ

“কাল রাতে – ফাল্গুনের রাতের আঁধারে

যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ

মরিবার হল তার সাধ ।”

― Jibanananda Das

ঘর খুলিয়া বাহির হইয়া জোছনা ধরতে যাই; হাত ভর্তি চান্দের আলো ধরতে গেলে নাই।- হুমায়ূন আহমেদ

>>>প্রত্যেকেই এক একটি চাঁদ এবং সবার একটি অন্ধকার দিক আছে যা কেউ কখনও অন্যকে দেখায় না ।— জীবনানন্দ দাশ

>>>উজ্জ্বল তারা গুলো ছাড়া চাঁদের আলো অনেকটাই কমে যায় ।— জীবনানন্দ দাশ

>>>যারা চাঁদ দেখতে ভালোবাসে, তারা সুন্দর মনের অধিকারী ।— জীবনানন্দ দাশ

>>>চাঁদ এত সুন্দর ছিল যে সমুদ্র একটি আয়না ধরেছিল ।— জীবনানন্দ দাশ

>>>চাঁদ একাকী কথা বলার জন্য বন্ধু ।— জীবনানন্দ দাশ

>>>নরম এবং শক্ত দুটোই হতে হবে। ঠিক চাঁদ বা ঝড় বা সমুদ্র এর মতো ।— জীবনানন্দ দাশ

>>>আমার মনে হচ্ছে চাঁদ খুব সুন্দরী রমণী । এবং সে নিয়ন্ত্রণে আছে ।— জীবনানন্দ দাশ

>>>আমরা সবাই উজ্জ্বল চাঁদের মত, যদিও আমাদের অন্ধকার দিকও রয়েছে ।— জীবনানন্দ দাশ

>>>আমাকে বলবেন না চাঁদ আলো দিচ্ছে । আমাকে শুধু ভাঙা কাঁচে আলোর ঝলক দেখান ।— জীবনানন্দ দাশ

>>>আমি ভাবতে ভালোবাসি যে প্রাণী, মানুষ, উদ্ভিদ, মাছ, গাছ, তারা এবং চাঁদ সবকিছু একসাথে রয়েছে— জীবনানন্দ দাশ

>>>তাকে এবং চাঁদকে সর্বদা অন্ধকারে খেলতে পাওয়া যেতে পারে।— জীবনানন্দ দাশ

>>>স্বাধীনতা, বই, ফুল এবং চাঁদের সাথে কে খুশি হতে পারে না ?— জীবনানন্দ দাশ

>>>চাঁদ তার আলো দিয়ে আপনাকে সারারাত পথ দেখাবে , কিন্তু সে সর্বদা অন্ধকারে থাকতে পছন্দ করে ।— জীবনানন্দ দাশ

>>>সর্বদা মনে রাখবেন আমরা একই আকাশের নীচে আছি, একই চাঁদ দেখছি ।— জীবনানন্দ দাশ

>>>আমি সর্বদা চাঁদের দিকে চেয়ে থাকি এবং মহাবিশ্বের মধ্যে এটিকে সবচেয়ে রোমান্টিক জায়গা হিসাবে দেখি ।— জীবনানন্দ দাশ

চাঁদ নিয়ে quotes

  • চাঁদ একাকী কথা বলার জন্য বন্ধু ।-কার্ল স্যান্ডবার্গ
  • আমাকে বলবেন না চাঁদ আলো দিচ্ছে । আমাকে শুধু ভাঙা কাঁচে আলোর ঝলক দেখান ।-আন্তন চেখভ
  • আমি সর্বদা চাঁদের দিকে চেয়ে থাকি এবং মহাবিশ্বের মধ্যে এটিকে সবচেয়ে রোমান্টিক জায়গা হিসাবে দেখি ।-টম হ্যান্কস

চাঁদ কে নিয়ে সুন্দর উক্তি

চাঁদের সৌন্দর্যকে উপলব্ধি করে আবার কেউ কেউ চাঁদকে নিয়ে কিছু সুন্দর উক্তি ও প্রদান করেছেন। শুধু কবি সাহিত্যিক নয় চাঁদকে নিয়ে অনেকের সুন্দর উক্তি গুলো এখান থেকে পাবেন

 ❝ জানিনা এ কোন মায়া জোছনা

পূর্ণিমা চাঁদ নাকি রোশনা

জনিনা এরূপ নাকি ঝর্না

প্রেমেরী কিরণ হয়ে ঝরোনা ❞

❝ চাঁদের মতো মুখটি তোমার

জোছনা ঝড়ানো হাসি

হাসি দিয়ে মুচাও জীবন আঁধার

তাইতো তোমায় ভালোবাসি ❞❝ আকাশের চাঁদ তুমি, দেখে তোমার হাসি,

মনটা আমার হয় পাগল, হয়ে যাই উদাসী; ❞

❝ তুমি জোছনা রাতের মায়াবী চাঁদ

আর বরষার দিনে বৃষ্টি ভেজা দুপুর

প্রতিটি নিশিতের নির্ঘুম রাত তুমি

মনে বাজাও ভালোবাসার নূপুর

তুমি সোনালী বিকেলে রূপালী সন্ধ্যা

আর রাতের আকাশের তারা

নদীর বুক চিরে অবিরাম বয়ে চলা

যেনো কুলু কুলু জলধারা

তোমার হাসিতে এই হৃদয়ে

কতো সুরভী ফুল ফোটে

নীরবতা যেনো কথা কয়

ছন্দহীন কবির ঠোঁটে, ❞

চাঁদের বিভিন্ন সমার্থক নাম

নিচের চাঁদের কিছু কিছু সমার্থক নাম রয়েছে এবং বিভিন্ন নামগুলি যার চাঁদ কে বোঝানো হয়ে থাকে.

চন্দ্রা, চন্দ্র, শশধর, শশাংক, শশী, চন্দ্রিমা, ইন্দু, নিশাকর, নিশাপতি, নিশানাথ, নিশাকান্ত, কলানিধি, হিমকর, সুধাকর,সোম, সুধাংশু, হিমাংশু, শীতাংশু, বিধু ,তারাপতি, কলানিধি.

চাঁদ নিয়ে রোমান্টিক স্ট্যাটাস

চাঁদ নিয়ে কিছু রোমান্টিক স্ট্যাটাস আছে যা আপনার জন্য জানা প্রয়োজন এবং যারা চাঁদ নিয়ে রোমান্টিক স্ট্যাটাস গুলো জানতে চান তাদের জন্য এই পোস্টটি। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ চাঁদ নিয়ে রোমান্টিক স্ট্যাটাস প্রদান করা হলো:

  • পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় যখন ঝকমক করবে এই পৃথিবী, তুমি তখন আমার পানে এসো নীল রঙা শাড়ি আর কাচের চুড়ি পরে।
  • কোন এক রাতে থাকবে কি আমার পাশে, চাঁদের আলোতে দেখবো তোমায় দু নয়ন ভরে ।
  • চাঁদের হাসির বাঁধ ভেঙ্গেছে, উছলে পড়ে আলো,
  • তুমি-আমি সেই আলোতে ঘুচাবো সকল কালো।
  • চাঁদকে ভালোবাসে কাছে টেনে নাও। সে নিজের দ্যুতি তে তোমায় আলোকিত করে দেবে।
  • চাঁদের মধ্যে এক ঐশ্বরিক ক্ষমতা আছে, যা দ্বারা সে অন্ধকার দূরীভূত করে।
  • তুমি তো চাঁদের মতোই সুন্দর!
  • চাঁদ ভালোবাসি, কারণ আমার চাঁদ যে তুমি ই!
  • আমি প্রতি রাতের ঐ চাঁদ টার মাঝে খুঁজে পাই তোমার ওই কৃষ্ণবর্ণা মুখ।
  • পূর্ণিমার আকাশের বৃত্তাকার ওই চাঁদ, আহা! কী সুন্দর!

 চাঁদ নিয়ে রোমান্টিক ক্যাপশন

অনেকে চাঁদকে নিয়ে রোমান্টিক ক্যাপশন অনুসন্ধান করেন এবং শুরু করতে চান। সুতরাং আর এই ক্যাপশনগুলো তাদের প্রিয় জন এবং বন্ধু-বান্ধবদের শেয়ার করে চাঁদের গুরুত্বকে বোঝাতে চান এবং চাঁদ সম্পর্কে অমূল্য ধারণাগুলি জানাতে চান.

  • আমি চাঁদের সাথে তোমার তুলনা করবো না, কারণ তুমি তার চেয়েও সুন্দর ।
  • রাতের আকাশে জানালা দিয়ে চাঁদ দেখা, পৃথিবীর সব চেয়ে সুন্দর একটি মুহূর্ত ।
  • যখন মন অনেক খারাফ থাকবে জানালা খুলে চাঁদের দিকে তাকিয়ে দেখো, আমি আছি তারা হয়ে চাঁদের পাশেই ।
  • তারা ভরা রাতে, তোমার হাত রেখো আমার হাতে কাটিয়ে দেবো অনন্ত কাল ।
  • তোমার মনের আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ হয়ে থাকতে দেবে ? আলোয় আলোয় ভরিয়ে দেবো তোমার জীবন ।
  • চাঁদ যেমন রাতের আকাশ আলোকিত করে, তুমি তেমন আমার মনের আকাশ আলোকিত করো ।

চাঁদকে নিয়ে লিরিকস

চাঁদকে নিয়ে অনেক লিরিকস কবিতা রয়েছে। অনেকে এ লিরিকস কবিতাগুলো জানতে চান এবং সংগ্রহ করতে চান। কিন্তু তারা কোথায় থেকে পাবেন তা জানেন না। অনলাইনে যখন তার অনুসন্ধান করেন তখন খুঁজে পান না। এজন্য আজ আমরা সংগ্রহ করে লিরিক্স গুলো অনলাইনে যুক্ত করেছি এবং আমাদের ওয়েবসাইট থেকে সহজে সংগ্রহ করতে পারবেন.

একলা প্রহরী হয়ে জেগে থাকব সারা রাত,

চাঁদ যেন হয় না চুরি,

হয় না যেন প্রভাত।

জোছনা ছড়িয়ে ঘুমবে চাঁদ,

চেয়ে দেখবো অবিরত।

এমনই এক রাতের খোঁজে

আমি জেগেছি কত।

চাঁদ যদি দুচোখ মেলে সত্যিকে স্বপ্ন ভাবে

মাতাল হৃদয় তারই মুখ একটু ছুঁয়ে দেবে।

উষ্ণ ছোঁয়ায় তারাগুলো,

উৎসবে হবে রত।

জোছনা প্লাবনে ভেসে ভেসে,

অচেনাতে হারাবো।

বাধা যত সব দূরে ঠেলে

নিয়মটা ছাড়াবো।

অচিন মায়ায় মুছে যাবে

মনের জমা সব ক্ষত।

চাঁদ যদি দুচোখ মেলে সত্যিকে স্বপ্ন ভাবে

মাতাল হৃদয় তারই মুখ একটু ছুঁয়ে দেবে।

যদি দুচোখ মেলে সত্যিকে স্বপ্ন ভাবে

মাতাল হৃদয় তারই মুখ একটু ছুঁয়ে দেবে।

রাত জোছনা হবে না শেষ হবে না

এই.. ভালোবাসা, আজ ফুরবে না।

একলা প্রহরী হয়ে জেগে থাকব সারা রাত ,

চাঁদ যেন হয় না চুরি, হয় না যেন প্রভাত।

জোছনা ছড়িয়ে ঘুমবে চাঁদ

চেয়ে দেখবো অবিরত,

এমনই এক রাতের খোঁজে

আমি জেগেছি কত।

চাঁদ যদি দুচোখ মেলে সত্যিকে স্বপ্ন ভাবে

মাতাল হৃদয় তারই মুখ একটু ছুঁয়ে যাক।

যদি দুচোখ মেলে সত্যিকে স্বপ্ন ভাবে

মাতাল হৃদয় তারই মুখ একটু ছুঁয়ে দেবে।

চাঁদের গল্প লিরিক্স – মিনার রহমান  :

Ekla prohori hoye jege thakbo sara raat

Chand jeno hoy na churi

Hoyna jeno probbhat

Jochona choriye ghumobe chand

Cheye dekhbo obiroto

Emoni ek raater khoje Ami jegechi koto

Chad jodi duchokh mele sottike shopno vabe

Matal hridoy taari mukh ektu chuye debe

চাঁদকে নিয়ে ছোট কবিতা

চাঁদ বিধাতার সৃষ্টি বিশাল আকাশে উদীয়মান হয় এবং এর সৌন্দর্য বিলীন করে দেয় পৃথিবীতে। পৃথিবীর মানুষ সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয় এবং চাঁদ সম্পর্কে বিভিন্ন উৎস জাগে। এজন্য কবি সাহিত্যিকগণ চাঁদের কে কে উপলক্ষ করে কিছু কবিতা লিখেছেন এবং এই কবিতাগুলো নিচে থেকে জানতে পারবেন.

  • “ও আকাশ প্রদীপ জ্বেলোনা, ও বাতাস আঁখি মেলো না

আমার প্রিয়া লজ্জা পেতে পারে……………”।।

  • “আকাশ প্রদীপ জ্বলে দূরের তারার পানে চেয়ে

আমার নয়ন দু’টি শুধুই তোমারে চাহে ব্যাথার বাদলে যায় ছেয়ে”।।

  • “এখনো আকাশে চাঁদ ওই জেগে আছে, যদি-গো আলো তার আসে নিভে

তবু জেনে গেছি তুমি আছো কাছে”।।

  • “আকাশের ওই মিটিমিটি তারার সাথে কইবো কথা, নাই বা তুমি এলে
  • তোমার স্মৃতির পরশভরা অশ্রু নিয়ে গাঁথবো মালা, নাইবা তুমি এলে”।।

.আমি পূর্ণিমা দেখবো বলে বসে আছি।

  • আমি কোন নভোচারী নই, যে চাঁদকে দেখে নিকট ভবিষ্যতের আবাস হিসেবে।

আমি কোন জ্যোতির্বিদ নই, যে চাঁদকে জানে একটি মৃত উপগ্রহ বলে।

আমি পুরনো ধাঁচের মানুষ, চাঁদকে দেখি পুরনো মানুষের মতোই,

যারা আকাশের দিকে তাকিয়ে।

চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে

চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে

চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে,

চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে,

ও চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে,

চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে?

সেই অভিমানিনী আজ ও তো বলেনি,

অভিমানিনী আজ ও তো বলেনি,

আসবে কিনা সে ফিরে।

  1. জোয়ার ভাটায় চাঁদ আসে চাঁদ যায়

আলো করে আঙ্গিনা সবার

আমি আছি ভরসায়, ঘোর অমানিশায়

কাটেনা কেন যে এই আধাঁর ?

ভালবাসা গুমড়ে কেঁদে মরে ,

চাঁদ তবু আসেনা আমার ঘরে।

ও চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে

চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে

সেই অভিমানিনী আজ ও তো বলেনি

অভিমানিনী আজ ও তো বলেনি

আসবে কিনা সে ফিরে।

চাঁদ কেন……

চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে,

চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে,

ও চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে,

চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে?




সেই অভিমানিনী আজ ও তো বলেনি,

অভিমানিনী আজ ও তো বলেনি,

আসবে কিনা সে ফিরে।

ও ও ও চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে

চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে?

দিন যায় রাত যায়,বয়ে যায় সময়

ম্লান মুক্তার আজ ও সেই

চোখ চায় মন চায়,

তবু ভাঙ্গা হৃদয়

সবই আছে চাঁদ শুধু নেই।

মেঘেরা যদি গিয়েছ দুরে সরে ,

চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে ?




জোয়ার ভাটায় চাঁদ আসে চাঁদ যায়

আলো করে আঙ্গিনা সবার

আমি আছি ভরসায়, ঘোর অমানিশায়

কাটেনা কেন যে এই আধাঁর ?

ভালবাসা গুমড়ে কেঁদে মরে ,

চাঁদ তবু আসেনা আমার ঘরে।

ও চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে

চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে

সেই অভিমানিনী আজ ও তো বলেনি

অভিমানিনী আজ ও তো বলেনি

আসবে কিনা সে ফিরে।

চাঁদ কেন……


চাঁদ নিয়ে জীবনানন্দের রোমান্টিক কবিতা

চাঁদিনীতে

 জীবনানন্দ দাশ


বেবিলোন্ কোথা হারায়ে গিয়েছে,- মিশর- অসুর কুয়াশাকালো;

চাঁদ জেগে আছে আজও অপলক, মেঘের পালকে ঢালিছে আলো!

সে যে জানে কত পাথারের কথা, কত ভাঙা হাট মাঠের স্মৃতি!

কত যুগ কত যুগান্তরের সে ছিল জ্যোৎস্না , শুক্লা তিথি!

হয়তো সেদিনও আমাদেরই মতো পিলুবারোঁয়ার বাঁশিটি নিয়া

ঘাসের ফরাশে বসিত এমনি দূর পরদেশী প্রিয় ও প্রিয়া!

হয়তো তাহারা আমাদেরই মতো মধু-উৎসবে উঠিত মেতে

চাঁদের আলোয় চাঁদমারী জুড়ে-সবুজ চরায়, সবজি ক্ষেতে

হয়তো তাহারা দুপুর-যামিনী বালুর জাজিমে সাগরতীরে

চাঁদের আলোয় দিগদিগন্তে চকোরের মতো চরিত ফিরে!

হযতো তাহারা মদঘূর্ণনে নাচিত কাঞ্চীবাঁধন খুলে

এমনি কোন্- এক চাঁদের আলোয়, মরু ‘ওয়েসিসে তরুর মুলে!

বীর যুবাদল শত্রুর সনে বহুদিনব্যাপী রণের শেষে

এমনি কোন্- এক চাঁদনীবেলায় দাঁড়াত নগরীতোরণে এসে!

কুমারীর ভির আসিত ছুটিয়া, প্রণয়ীর গ্রীবা জড়ায়ে নিয়া

হেঁটে যেত তারা জোড়ায়-জোড়ায় ছায়াবীথিকার পথটি দিয়া

তাদের পায়ের আঙুলের ঘায়েখড় খড় পাতা উঠিত বাজি,

তাদের শিয়রে দুলিত জ্যোৎস্না-চাঁচর-চিকন পত্ররাজি!

দখিনা উঠিত মর্মরি মধুবনানীর লতা-পল্লব ঘির

চপল মেয়েরা উঠিত হাসিয়া,- ‘এল বল্লভ-এল রে ফিরে!

-তুমি ঢুলে যেতে, দশমীর চাঁদ তাহাদের শিরে সারাটি নিশি,

নয়নে তাদের দুলে যেতে তুমি- চাঁদনী-শরাব, সুরার শিশি!

সেদিনও এমনি মেঘের আসরে জ্বলেছে পরীর বাসরবাতি,

হয়তো সেদিনও ফুটেছে মোতিয়া-ঝরেছে চন্দ্রমল্লীপাঁতি!

হয়তো সেদিনও নেশাখোর মাছি গুমরিয়া গেছে আঙুর বনে,


হয়তো সেদিনও আপেলের ফুল কেঁপেছে আঢুল হাওয়ার সনে!


হয়তো সেদিনও এলাচির বন আতরের শিশি দিয়েছে ঢেলে

হয়তো আলেয়া গেছে ভিজা মাঠে এমনি ভূতুড়ে প্রদীপ জ্বেলে


হয়তো সেদিনও ডেকেছে পাপিয়া কাঁপিয়া কাঁপিয়া ‘সরোর শাখে,

হয়তো সেদিনও পাড়ার নাগরী ফিরেছে এমনি গাগরি কাঁখে!

হয়তো সেদিনও পানসী দুলায়ে গেছে মাঝি বাঁকা ঢেউটি বেয়ে,

হয়তো সেদিনও মেঘের শকুনডানায় গেছিল আকাশ ছেয়ে!

হয়তো সেদিনও মাণিকজোড়ের মরা পাখাটির ঠিকানা মেগে




অসীম আকাশ ঘুরেছে পাখিনী ছটফট্ দুটি পাখার বেগে!

হয়তো সেদিনও খুর খুর করে খরগোশ ছানা গিয়েছে ঘুরে


ঘন মেহগিনি-টার্পিন-তলে-বালির জর্দা বিছানা ফুঁড়ে!


হয়তো সেদিনও জানালার নীল জাফরির পাশে একেলা বসি


মনের হরিণী হেরেছে তোমারে- বনের পারের ডাগর শশী!

শুক্লা একাদশীর নিশীথে মণিহর্ম্যের তোরণে গিয়া

পারাবত-দূত পাঠায়ে দিয়েছে প্রিয়ের তরেতে হয়তো প্রিয়া!

অলিভকুঞ্জে হা হা করে হাওয়া কেঁদেছে কাতর যামিনী ভরি!

ঘাসের শাটিনে আলোর ঝালরে ‘মার্টিল্ পাতা পড়েছে ‘ঝরি!




‘উইলোর বন উঠেছে ফুঁপায়ে-‘ইউ তরুশাখা গিয়েছে ভেঙে,

তরুণীর দুধ-ধবধবে বুকে সাপিনীর দাঁত উঠেছে রেঙে!

কোন্ গ্রীস,- কোন্ কার্থেজ, রোম, ‘ক্রবেদুর-যুগ কোন,-

চাঁদের আলোয় স্মৃতির কবর-শফরে বেড়ায় মর!

জানি নাতো কিছু-মনে হয় শুধু এমনি তুহিন চাঁদের নিচে

কত দিকে দিকে-কত কালে কালে হয়ে গেছে কত কি যে!
কত যে শ্মশান-মশান কত যে-কত যে কামনা-পিপাসা -আশা

অস্তচাঁদের আকাশে বেঁধেছে আরব-উপন্যাসের বাসা!

খালিল জিবরানের চাঁদ

পূর্ণ চাঁদ


শহরের ওপর সগৌরবে পূর্ণ চাঁদ উঠেছে

সে-শহরের সব কুকুর চাঁদের দিকে তাকিয়ে

ঘেউ ঘেউ শুরু করেছে।
কেবল একটি কুকুর ঘেউ দেয়নি, ভারি গলায় সে

অন্যদের বলেছে, ‘ঘেউ ঘেউ করে তোমরা তার

মুখ থেকে নির্জনতা খসাতে পারবে না

কিংবা তোমাদের ডাকে চাঁদ পৃথিবীতে নেমে আসবে না।’

তখন অন্য কুকুরেরা ঘেউ ঘেউ থামাল, নেমে

এলো ভয়ংকর নির্জনতা। কিন্তু যে-কুকুর

তাদের সাথে কথা বলেছে, বাকি রাত

নির্জনতার জন্য ঘেউ ঘেউ চালিয়ে গেল।

মাহমুদ দারবিশের চাঁদ

অবরোধ

এক নারী মেঘকে বলল, আমার প্রিয়তমকে ঢেকে রেখো

তার রক্তে আমার পরনের কাপড় ভিজে গেছে।

তুমি যদি বৃষ্টি না হও, প্রিয়

তবে বৃক্ষ হও

উর্বরতায় পরিপূর্ণ, বৃক্ষ হও


তুমি যদি বৃক্ষ না হও, প্রিয়


তবে পাথর হও


আর্দ্রতায় পরিপূর্ণ পাথর হও

যদি তুমি পাথর না হও, প্রিয়

তবে চাঁদ হও,

প্রিয় নারীর স্বপ্নের, চাঁদ হও

[এ-কথাই বলেছে এক নারী তার পুত্রের শেষকৃত্যে।]

নিজার কববানির চাঁদ

রুটি, মাদক ও চাঁদ

পূর্বদিকে যখন চাঁদের জন্ম হয়

সাদা ছাদ তখন ঘুমের ঘোরে

আলোর সত্মূপের নিচে

মানুষ তাদের দোকান ছেড়ে দলে দলে বেরোয়

তারা চাঁদের সাথে সাক্ষাৎ করবে




হাতে রুটি, রেডিও নিয়ে পর্বতের চূড়ায়




এবং সাথে তাদের মাদক।

সেখানে তারা কল্পনা বেচাকেনা করে




এবং চিত্রকল্প




এবং মৃত্যু – যখন চাঁদ তাদের জীবনে আসে।




এই আলোচিত চাকতি




আমার জন্মভূমির কোন কাজে লাগে?




নবীদের ভূমি,




সরলসোজা মানুষের ভূমি,




তামাক চিবোনো মানুষ কিংবা মাদকের পাইকার




চাঁদ আমাদের কোন কাজে লাগে




আমরা আমাদের সাহসের অপচয় করি




কেবল ঈশ্বরের কাছে ভিক্ষক্ষ চাইতে বেঁচে থাকি?




অলস ও দুর্বলের জন্য




দেবার মতো ঈশ্বরের কী আছে?




যখন তাদের জীবনে চাঁদ আসে, তা তো




লাশ হয়ে যায়, এবং সন্তদের সমাধি




নাড়তে থাকে এই আশায় যে তারা




কিছু চালের মঞ্জুরি দেবেন, কিছু সন্তান …




তারা তাদের অভিজাত মিহিন আলখাল্লা ছড়িয়ে




আফিম দিয়ে তাদের আশ্বসত্ম করেন যাকে




আমরা বলি ভাগ্য ও নিয়তি। …


চাঁদ নিয়ে জীবনানন্দের ইংরেজী রোমান্টিক কবিতা

In the moonlight

 Jibanananda Das

Where Babylon is lost, – Egypt – Asura fog

The moon is still awake, the light is ouring on the feathers of the clouds

He knows how many stones, how many memories of the broken hat field

How many ages, how many epochs he was jyotsna, Shukla date!

Maybe he took the flue of Pilubarwa like us that day too

Such a distant foreigner sitting on the grass floor, dear!

Maybe they are like us in the honey-festival

In the moonlight the moonlight spreads all over the green pastures, in the vegetable fields

Maybe they are on the beach at noon-Jamini Balu Jajime

Digidigante chakorera charita back in the light of the moon!

Maybe they untied the kanchibandhan danced in a whirlwind

In the light of a moon, in the desert, in the oasis, in the roots of the tree!

At the end of a long battle inthe year of the enemy’s heroic youth

Who would have stood in the moonlight at such a moonlit time!

The virgin’s hero came and left, embracing the lover’s neck

They could walk along the path of the shadows in pairs!

The haystacks of their toes,

Moonlight-chanchar-chikon patraraji swayed in their shire!

The southern marble surrounds the vines of Madhubanani

The playful girls got up and laughed, – ‘El Vallabh-el re back!

-You go down, the moon of Dashmi is all night on their heads,

To shake their eyes you – Chandni-wine, wine bottle!

Even on that day, the fairy’s lamp was burning in the cloud room,

Maybe that day too, the pearls have blossomed and the chandramallipanti has fallen!

Maybe even that day the intoxicated fly got lost in the vineyard,

Maybe that day the apple flower trembled in the wind!

Maybe even on that day the forest of cardamom poured a bottle of perfume

Maybe the ghost lamp is burning in the wet field aleya!

Maybe that day also called Papia trembling ‘Sarore branch,

Maybe even on that day the citizen of the neighborhood has returned like this!

Maybe that day too, Pansi was swayed by the crooked wave,

Maybe that day also the sky was full of clouds Shakundana!

Maybe even on that day the address of the dead wing of Manikjore will be found

Infinite sky has turned with the speed of two birds fluttering!

Maybe that day also the rabbit cubs went around with hooves

Dense mahogany-turpentine-under-sand Jorda bed blowing!

Maybe even that day I was sitting alone by the blue lattice of the window

The deer of the mind has lost to you- Shashi on the edge of the forest!

Shukla went to the gate of Maniharmya on the night of Ekadashi

Priya may have sent a dove-messenger to Priya’s tare!

Olivekunje ha ha hare katache yamini bhari!

In the light of the shatin of the grass, ‘Martil leaves have fallen’, ‘Jhari!

‘The Willow Forest has sprouted-the EU branch has broken,

Sapini’s teeth are red in the che of the young woman’s milk.

Con Greece, – Con Carthage, Rome

In the light of the moon, the graves of memory die in the journey!

I don’t know anything – I think it’s just like Tuhin under the moon

How many times – how much time has passed!

How many crematoriums, how many desires, thirsts, hopes

Astachandar sky tied to the home of the Arab novel!

চাঁদ মামা লিরিক্স

চাঁদমামা আজ বড্ড একা

বড় হয়েছি আমি

রোজ রাতে আর হয়না কথা

হয়না নেয়া হামি




রোজ রাতে আর চাঁদের বুড়ি

কাটেনা চরকা রোজ

ও বুড়ি, তুই আছিস কেমন

হয়না নেওয়া খোঁজ




কোথায় গেলো সে রুপকথার রাত

হাজার গল্প শোনা

রাজার কুমার, কোটাল কুমার, পঙ্খীরাজ

সে ঘোড়া




কেড়ে নিলো কে সে আজব সময়

আমার কাজলা দিদি

কে রে তুই, কোন দৈত্যদানো

সব যে কেড়ে নিলি




কেরে তুই, কেরে তুই

সব সহজ শৈশবকে

বদলে দিলি

কিছু যান্ত্রিক বর্জ্যে




তুই, কে রে তুই

যত বিষাক্ত প্রলোভনে

আমায় ঠেলে দিলি

কোনো এক ভুল স্রোতে




আলাদিন আর জাদুর জীনি

আমায় ডাকছে শোনো

ব্যস্ত আমি ভীষণ রকম

সময় যে নেই কোনো




আলীবাবার দরজা খোলা

চল্লিশ চোর এলে

সিনবাদটা, একলা বসে

আছে সাগর তীরে




সময়টা আজ কেমন যেন

বড় হয়ে গেছি আমি

তারাগুলো আজও মেঘের আড়াল

কোথায় গিয়ে নামি

Related Articles

Back to top button